সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

growing-motherhood.jpg

পরামর্শ ভবিষ্যতের মায়েদের জন্য কিছু কথা

একটা কথা অবশ্যই উল্লেখ্য যে হাসপাতালে প্রসব মানেই সিজারিয়ান নয়। হাসপাতালে প্রসব করানোর উদ্দেশ্য নিরাপদ মা ও নবজাতক।

ভবিষ্যতে যারা মা হবেন বা হতে যাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কে অধ্যাপিকা ডা: ইসরাত হাসান এর পরামর্শ। তিনি বর্তমানে লুবানা জেনারেল হাসপাতাল এ কর্মরত।

  • একটি কন্যা শিশু, যে আগামী দিনের সম্ভাবনাময় মা তার পুষ্টির বিষয়ে অবশ্যই যত্নবান হতে হবে অভিভাবককে। তার সুষম খাদ্য ও নিয়মিত খেলাধুলার প্রয়োজন। তা না হলে এই মেয়েরা হয়ে উঠতে পারে ক্ষীন স্বাস্থ্য অথবা ভুগতে পারে স্থুলতা সংক্রান্ত জটিলতায়।
  • যে কোন নারীকে বিয়ের পর গর্ভধারণ করতে হবে পরিকল্পনা করে। পারিবারিক চাপে পড়ে গর্ভধারণ করলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি না থাকার কারণে একটি মেয়ে গর্ভধারণ কে বোঝা মনে করতে পারে। তাই গর্ভধারণ করতে না চাইলে অবশ্যই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে উপযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
  • পরবর্তিতে সন্তান ধারণ করতে চাইলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। গর্ভধারণ করার সবচেয়ে ভাল বয়স হলো ২০ থেকে ২৯ বছর বয়স। কারণ এই সময়ে গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা কম হয়।
  • যখনই একজন নারী বুঝতে পারছেন তিনি গর্ভধারণ করেছেন তখনই তার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত এবং প্রথম থেকে ডাক্তারের পরামর্শ ও দিক নির্দেশনায় চলতে হবে।
  • যখনই ডাক্তারের কাছে চেক-আপে আসবেন তখনই সাথে পরিবারের অভিভাবক সদস্য যেমন মা, শ্বাশুড়ি, বড়বোন, ভাবি অথবা স্বামীকে সাথে নিয়ে আসবেন। গর্ভাবস্থায় আপনার ব্যাপারে ডাক্তারের উপদেশ তাদেরও শুনতে ও বুঝতে হবে।
  • ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ঔষধ (সাধারনত ভিটামিন, আয়রন অথবা ক্যালসিয়াম) নিয়ম অনুযায়ী খেতে হবে। এই ঔষধ দেওয়া হয় গর্ভধারিনী মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য। এই ঔষধের প্রভাবে গর্ভস্থ সন্তানের অত্যাধিক বেড়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
  • আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে জেনে নিন গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা এবং তার জন্য করনীয় কি।
  • প্রসব হাসপাতালে হওয়া বাঞ্চনীয়। যেকোন জরুরি অবস্থা সমাধানের ব্যবস্থা হাসপাতালে থাকে। বাড়িতে প্রসব করাতে গেলে যদি কোন জটিলতা হয় তা দ্রুত সনাক্ত করা যায় না এবং যখন তা সনাক্ত হয় তখন মা ও শিশুর জন্য হুমকি হয়ে যায়। তাই হাসপাতালে প্রসব করলে যেকোন সমস্যা এড়ানো সহজ হয়। এখানে একটা কথা অবশ্যই উল্লেখ্য যে হাসপাতালে প্রসব মানেই সিজারিয়ান নয়। হাসপাতালে প্রসব করানোর উদ্দেশ্য নিরাপদ মা ও নবজাতক।
  • গর্ভাবস্থায় আপনি নিজে টিকা নিন ও প্রসবের পর আপনার শিশুকে টিকা দিন।
  • আপনার সন্তানকে অবশ্যই বুকের দুধ পান করবেন। এটা আপনার শিশুর অধিকার এবং প্রাথমিক পুষ্টির উৎস।
  • ১৫ থেকে ৪৫ বছরের প্রত্যেক নারী প্রতিদিন ফলিক এসিড যুক্ত খাবার খাবেন। এই ভিটামিন আপনার প্রজনতন্ত্রকে সুস্থ রাখবে।
  • ১৫ থেকে ৪৫ বছরের প্রত্যেক নারী ৫টি ও জরায়ু মুখ ক্যান্সারের টিকা নিবেন। এই ব্যাপারে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
-
তথ্যসূত্র: স্পন্সরড স্টোরি
এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

Motherhood, mother, Growing, HEALTHY, Balance, Food, Life, Nutrition