সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

img_7161.jpg

জাদুকরী পানীয় ক্যান্সার, উচ্চরক্তচাপ, লিভারজনিত রোগ থেকে রক্ষা করবে যে পানীয়

গবেষণায় দেখা গেছে এই বীট রুটে রয়েছে বিটাযায়ানিন নামক উপাদান যা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির হারকে রোধ করে।

যদি বলি অতি সাধারণ এক জুসই আপনাকে রক্ষা করবে মরনব্যাধি ক্যান্সার থেকে বিশ্বাস করবেন? জি হ্যা। আসলেই এমন জাদুকরী জুস রয়েছে যা পানের মাধ্যমে আপনি ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেন। 

জাদুকরী এই জুসের নাম এবিসি (ABC) জুস। এবিসি জুস হচ্ছে এমন একটি পানীয় যা ক্যান্সারের কোষকে ধ্বংস করে। খুব সাধারণ এই পানীয়টি বাড়িতেই তৈরি করে নেয়া সম্ভব। নিয়মিত পানে ক্যান্সারের মত ভয়াল রোগ আপনাকে স্পর্শও করতে পারবে না। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত ও জুসটি তৈরির প্রণালি।

এই জুস কিভাবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে?
এই জুসের যে উপাদানটি ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী তা হচ্ছে বীট রুট বা বীটের মুল। ইউরোপে ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় এই সবজির ব্যবহার বেশ লক্ষণীয়। গবেষণায় দেখা গেছে এই বীট রুটে রয়েছে বিটাযায়ানিন নামক উপাদান যা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির হারকে রোধ করে। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি ও আয়রনও রয়েছে।

এবিসি (ABC) জুস পানের উপকারিতা:
প্রতিদিন এক গ্লাস করে এবিসি জুস পানে আপনি নিন্মোক্ত উপকারগুলো পেতে পারেন:

  • এটি ক্যান্সার কোষ এর বৃদ্ধি থামিয়ে দেয়।
  • এজমা, শ্বাসকষ্টজনিত রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।
  • উচ্চরক্তচাপ থেকে রক্ষা করে।
  • চোখের দৃষ্টি সতেজ রাখে এখন অক্ষিপেশিকে সুদৃঢ় রাখে।
  • পরিপাকক্রিয়া সচল রাখে।
  • মাসিক ঋতুস্রাব এর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়।
  • কিডনি এবং লিভার জনিত রোগ থেকে মুক্তি দেয় এবিসি জুস। আলসার থেকেও মুক্তি মেলাতে এর জুড়ি নেয়।
  • বুদ্ধি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  • এছাড়াও মানবদেহের আরো অনেক উপকার করে থাকে এই এবিসি জুস। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এই এবিসি জুস বানাবেন। 

প্রণালি:
এবিসি জুস তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে আপেল, বীট রুট আর গাজর। 

  • প্রথমে ফল ও সবজিকে খুব ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।
  • এবার ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ফেলুন। (ফল বা সবজির খোসা ভুলেও ফেলে দিবেন না। কেননা, খোসা ফেলে দিলে এর উপকারিতা অনেকটা বিলীন হয়ে যাবে)
  • এবার সব উপাদানগুলোকে ব্লেন্ড করে নিন। পরিমানমত অল্প পানি মিশিয়ে জুসের মত করুন।
  • বাড়তি স্বাদ পেতে এক চামচ মধু বা লেবুর রস মেশাতে পারেন। (ভুলেও চিনি মেশাবেন না কিন্তু)

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে এবিসি জুস পান করুন। কেবল যে ক্যান্সার প্রতিরোধে এই জুস ব্যবহার করা হয় তা কিন্তু নয়। বরং, শরীরের অনেকগুলো রোগের সমাধান রয়েছে এই জুসে।

যারা ডায়েট করেন তারা নিঃসন্দেহে ডায়েট চার্টে যুক্ত করে ফেলতে পারেন এই এবিসি জুস।

-
ছবি ও তথ্যসূত্র: HumanNHealth.com


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

ক্যান্সার, উচ্চরক্তচাপ, লিভার, রোগ, রক্ষা, পানীয়, আপেল, বীট, রুট, গাজর